15viptaka কীভাবে শুরু হয়েছিল?
২০১৯ সালে একদল তরুণ বাংলাদেশি উদ্যোক্তা ও প্রযুক্তিবিদ মিলে 15viptaka যাত্রা শুরু করেন। তখন বাংলাদেশে অনলাইন বেটিংয়ের অভিজ্ঞতা খুবই অসুবিধাজনক ছিল — ইংরেজি ইন্টারফেস, ধীর পেমেন্ট সিস্টেম, আর বিশ্বস্তত তার অভাব। আমরা সেই সমস্যাটাই সমাধান করতে চেয়েছিলাম।
15viptaka তৈরি হয়েছে বাংলাদেশের মানুষের কথা মাথায় রেখে। বাংলা ভাষায় সম্পূর্ণ ইন্টারফেস, বিকাশ-নগদ-রকেটের মাধ্যমে তাৎক্ষণিক পেমেন্ট, এবং ক্রিকেট থেকে শুরু করে ফুটবল পর্যন্ত সব বড় খেলায় বেটিংয়ের সুযোগ — এই তিনটি জিনিস আমাদের প্রথম দিন থেকেই প্রধান লক্ষ্য ছিল।
আজ 15viptaka বাংলাদেশের অন্যতম বিশ্বস্ত অনলাইন গেমিং প্ল্যাটফর্ম হিসেবে পরিচিত। পাঁচ লক্ষেরও বেশি নিবন্ধিত ব্যবহারকারী প্রতিদিন আমাদের প্ল্যাটফর্মে খেলেন, বেট করেন এবং জেতেন। এই বিশ্বাস আমাদের সবচেয়ে বড় অর্জন।
আমাদের মিশন ও ভিশন
15viptaka-র মিশন হলো বাংলাদেশে অনলাইন বেটিংকে আরও সহজলভ্য, স্বচ্ছ ও দায়িত্বশীল করা। আমরা বিশ্বাস করি যে সঠিক তথ্য, নিরাপদ পরিবেশ এবং ন্যায্য অডস পেলে প্রতিটি খেলোয়াড় ভালো সিদ্ধান্ত নিতে পারেন।
আমাদের ভিশন হলো ২০২৭ সালের মধ্যে দক্ষিণ এশিয়ার শীর্ষ বাংলা-ভাষী বেটিং প্ল্যাটফর্ম হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করা। শুধু সংখ্যায় বড় নয়, সেবার মানে, প্রযুক্তিতে এবং ব্যবহারকারীর আস্থায়।
- বাংলাদেশের প্রতিটি জেলায় বিশ্বস্ত বেটিং সেবা পৌঁছে দেওয়া।
- নতুন খেলোয়াড়দের জন্য সহজ অনবোর্ডিং ও গাইডেড অভিজ্ঞতা।
- দায়িত্বশীল গেমিং সংস্কৃতি গড়ে তোলা।
- স্থানীয় পেমেন্ট পদ্ধতিতে সর্বোচ্চ সুবিধা নিশ্চিত করা।
- ক্রিকেট, ফুটবল ও অন্যান্য স্থানীয় খেলায় সেরা অডস প্রদান।
15viptaka-কে অন্যদের থেকে আলাদা কী করে?
বাজারে অনেক প্ল্যাটফর্ম আছে, কিন্তু 15viptaka-র কিছু বৈশিষ্ট্য আছে যেগুলো সত্যিকার অর্থেই পার্থক্য তৈরি করে। প্রথমত, আমাদের পুরো ইন্টারফেস বাংলায় — ঢাকার মানুষ থেকে শুরু করে সিলেট বা চট্টগ্রামের প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষও সমান সহজে ব্যবহার করতে পারেন।
দ্বিতীয়ত, 15viptaka-র পেমেন্ট সিস্টেম বাংলাদেশের বাস্তবতার সাথে মানানসই। বিকাশ, নগদ ও রকেটে মাত্র ৫ মিনিটে উইথড্র — এটা আমাদের প্রতিযোগীরা এখনো পারেনি। তৃতীয়ত, আমাদের গ্রাহক সেবা দল বাংলায় কথা বলেন, বাংলাদেশের সময় অনুযায়ী কাজ করেন।